রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
'২০২৯ সালের ভোটেই মোদী সরকারের বিদায় নিশ্চিত', ভবিষ্যদ্বাণী ককরোচ প্রধানের জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে গঠনমূলক সম্পৃক্তক্ততা বজায় রাখার অঙ্গীকার বাংলাদেশের কৃষ্ণ সাগরে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ থেকে মানুষের লাশ উদ্ধার সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গবেষণায় আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর বিবিএসকে নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : অর্থমন্ত্রী সৌদি আরবের রিয়াদে আর্থিক জেলায় হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত আরামকো টাওয়ার সুশৃঙ্খল উন্নয়ন পরিকল্পনায় ক্রিকেটের হারানো ঐতিহ্য ফিরে পেতে চায় সিলেট
শিশু

এক দশক ধরে পথশিশুদের জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে শুভ

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন • 05 সেপ্টেম্বর 2025, 10:21 দুপুর • 387 বার পঠিত
এক দশক ধরে পথশিশুদের জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে শুভ

নারায়ণগঞ্জ, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ (বাসস) : ঘড়ির কাটায় বিকেল ৫ টা। একের পর এক শিশু আসছে চাষাড়া রেলওয়ে প্লাটফর্মে। খোলা আকাশের নিচে কয়েকটি বেঞ্চ। প্রতেকেই বসে পড়ে যার যার আসনে। একটু পরেই শুরু হলো, জাতীয় সঙ্গীত। কোমলমতি শিশুদের কন্ঠে‘ আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’, এরপর শুরু হয় শপথ বাক্য। দৃশ্যটি চাষাঢ়া রেলওয়ে স্টেশনে গড়ে উঠা পথশিশুদের স্কুল, যার নাম ‘লাল সবুজের পতাকা শ্রী শুভ চন্দ্র প্রাথমিক শিশু বিদ্যালয়’।

স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা শুভ চন্দ্র (২৯), যার স্বপ্ন থেকেই সৃষ্টি সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের এই স্কুল। তিনি প্রমাণ করেছেন ইচ্ছে শক্তির চাইতে বড় কিছু হতে পারেনা। নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার উত্তর চাষাড়ার বাসিন্ধা শুভ। চার ভাই-বোনের মাঝে ছোট তিনি। মাধ্যমিকের গন্ডি না পেরুলেও তিনি এখন শত শত শিশুর কাছে শুভ স্যার নামেই পরিচিত।

দরিদ্র পরিবারে বেড়ে উঠা শুভর ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন তিনি শিক্ষক হবেন। তার স্কুলের শিক্ষকেরা যখন শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞেস করতো, বড় হয়ে কি হতে চায়, প্রায় সকলেই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার আশা ব্যক্ত করলেও শুভ বলতো, আমি শিক্ষক হবো। শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠলেও ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তার মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর মায়ের চিকিৎসার খরচের জন্য থমকে যায় তার একাডেমিক পড়াশোনা। যোগ দেন, স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে। তবে পড়াশোনার বাসনা তখনো তার মাঝে বিদ্যমান। চাকরির পাশাপাশি একজন প্রাইভেট শিক্ষকের কাছে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি লেখাপড়া করেন। এরপর পারিবারিক দায়বদ্ধতায় আর পড়ালেখা করা সম্ভব হয়নি।